নবম পে-স্কেলে বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা, সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া
নতুন বেতনকাঠামো বা নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন পেতে শুরু করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। অক্টোবর মাসের নিয়মিত বেতনের পাশাপাশি জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বর্ধিত বেতনের বকেয়াও পেয়েছেন অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী। তবে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ না হওয়ায় অনেকেই নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি। তাদের আপাতত পুরোনো বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে বর্ধিত বেতন ও বকেয়া সমন্বয় করে পরিশোধ করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন-ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। তবে অনেকের বেতন নির্ধারণের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।
সূত্র জানায়, নতুন বেতন নির্ধারণ করতে গিয়ে গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড, বাড়িভাড়া ভাতা এবং পদোন্নতির পর আর্থিক সুবিধা নিয়ে বেশ কিছু অসংগতি দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইবাস++-এর বিভিন্ন জটিলতার কারণেও বেতন নির্ধারণে বিলম্ব হচ্ছে।
এ কারণে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নির্ধারণের কাজ সময়মতো শেষ হয়নি, তারা নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি। তবে তাদের পুরোনো কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাকি কর্মচারীদেরও নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এরপর বর্ধিত বেতন ও বকেয়া সমন্বয় করে দেওয়া হবে।
সূত্র আরও জানায়, রোববার সকাল থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের মোবাইল ফোনে বেতন জমার বার্তা আসতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যে অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন পাওয়ার নিশ্চিত বার্তা পান। এতে অক্টোবর মাসের বেতনের পাশাপাশি আগের তিন মাসের বর্ধিত বেতনের বকেয়াও যুক্ত হয়েছে।
নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হওয়ার ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে যাঁরা এখনো বর্ধিত বেতন পাননি, তাঁদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে বেতন নির্ধারণ ও সমন্বয় প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার জন্য।



মন্তব্যসমূহ (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। আপনিই প্রথম মন্তব্য করুন!